img

‘আমি নিরাপরাধ’

2016-11-01 11:49:07
2016110115490748724.jpg

নিজেকে নিরাপরাধ দাবি করলেন হিলারি ক্লিনটন। ওহাইওতে এক বক্তব্য দেয়ার সময় তিনি গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইয়ের তীব্র সমালোচনা করেছেন। বলেছেন, নির্বাচনের মাত্র কয়েকদিন আগে ডেমোক্রেটদের ইমেইল তদন্ত করার নামে এফবিআই নির্বাচনে জেিড়য়ে পড়েছে। ওহাইওর বিপুল মানুষের সমাবেশে বলেন, আমি নিশ্চিত আপনাদের মধ্যে অনেকে হয়তো আমার কাছে জানতে চাইবেন নতুন এসব ইমেইলে কি আছে। জানতে চাইবেন নির্বাচনের দিন ঘনিয়ে আসার প্রেক্ষিত্রে কোনো তথ্যপ্রমাণ ছাড়া এফবিআই কেন নির্বাচনে জড়িয়ে পড়েছে। এটা একটি চমৎকার প্রশ্ন। হিলারি বলেন, আমি জানি আপনারা সচেতন। আমি স্বীকার করি এটা একটা ভুল ছিল। এখন তারা আমার স্টাফদের একজনের পিছু নিয়েছে। এর আগে তারা একবার তদন্তে যা পেয়েছিল, আমি নিশ্চিত এবারও তারা তা-ই পাবে। এর মধ্যে কোনো গোপন কিছু নেই। এর আগে মিশিগানে এক বক্তব্য রাখেন ডনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, ইমেইল কেলেঙ্কারির জন্য হিলারি ক্লিনটনকে ফৌজদারি বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। পুলিশি তদন্তে থাকা অবস্থায় তাকে নির্বাচিত করা হবে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বিপদজনক। তার জবাবে হিলারি ক্লিনটন আবারও ট্রাম্পকে প্রেসিডেন্ট পদে অযোগ্য বলে আখ্যায়িত করেন। হিলারি বলেন, ট্রাম্প চাইছেন আরও মানুষের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র থাকুক। কল্পনা করুন মধ্যপ্রাচ্যে এমন অস্ত্রের বিষয়টি। ট্রাম্প বলেছেন, তিনি পররাষ্ট্র নীতি নিয়ে কোনো পরামর্শ করেন না। কারণ, তার তিনি ব্রিলিয়ান্ট ব্রেনের অধিকারী। আমাদের জেনারেলদের চেয়ে তিনি আইসিস সম্পর্কে বেশি ভাল জানেন বলে দাবি করেছেন। আসলে তিনি জানেন না। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনের সঙ্গে যোগাযোগ থাকার অভিযোগে তার ঘনিষ্ঠ দু’ব্যক্তির বিরুদ্ধে এখন তদন্ত চলছে। নিজেকে হিলারি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নিরাপদ পছন্দ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি দর্শকদের বলেন, ট্রাম্পকে কি আমাদের পারমাণবিক অস্ত্রের কমান্ডার, জীবন ও মৃত্যুর বিষয়ে বিশ্বাস করা যায়? তিনি কিভাবে সঙ্কট মোকাবিলা করবেন? আমাদের মিত্র ও শত্রুদের মধ্যে পার্থক্য সম্পর্কে কি তিনি জানেন? ওহাইওর সিনসিনাতিতে আরেকটি র‌্যালিতে বক্তব্য রাখেন হিলারি। তিনি দর্শক, শ্রোতাদের কাছে জানতে চান, যুক্তরাষ্ট্রের কমান্ডার ইন চিফ হওয়ার মতো সঠিক মেজাজ কি ট্রাম্পের আছে? হিলারি বলেন, সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, পারমাণবিক অস্ত্রের কোড বা চাবি যেখানে কখনও তার কাছাকাছি হওয়া উচিত নয় ট্রাম্পের। কারণ, তিনি পারমাণবিক যুদ্ধের বিষয়ে তোয়াক্কা করেন না।

img

সম্পর্কিত পোস্ট