img

ব্যাক পেইনে আক্রান্ত হলে

2016-11-04 11:37:20
2016110415372044861.jpg


ব্যাক পেইন অনেকের কাছেই এক বিভীষিকার নাম। অধিকাংশ মানুষই কোনো না কোনো সময়ে পিঠের ব্যথায় ভোগেন। ভারী ব্যাগ বহন করা, মাথা নিচু করে দীর্ঘক্ষণ কাজ করা কিংবা এক টানা চেয়ারে বসে থাকার কারণে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়ে থাকে। চিকিৎসকদের পরামর্শ এই ধরণের ব্যথার মোকাবেলা করা যেতে পারে যোগ ব্যায়ামের মাধ্যমে। সকালে নিয়মিত মাত্র ৪৫ মিনিট হাঁটলে কিংবা আধ ঘণ্টা ব্যায়াম করলে ব্যথা কমতে পারে।

চিকিৎসকরা আরো মনে করেন, যদি এই ধরণের ব্যথার সঙ্গে নির্দিষ্ট কোনও রোগের সম্পর্ক না থাকে তা হলে জীবন যাপনে কিছুটা পরিবর্তন আনলে এই সমস্যা এড়ানো যেতে পারে। তবে নিজের জীবন যাপনের পদ্ধতি নির্বাচন করতে হবে নিজের বয়স, শারীরিক অবস্থা বুঝে। তা হলে অনেক শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

এছাড়া তারা আরও বলেন, শারীরিক সমস্যার পাশাপাশি যোগাসন মানসিক চাপ কমাতেও সাহায্য করে। দেহের বিভিন্ন পেশীর নড়াচড়া এবং প্রাণায়ামের মতো অভ্যাস সুস্থ জীবন কাটাতে সাহায্য করে।

তারপরও ব্যাক পেইন কমাতে কিছু পদক্ষেপ মেনে চলতে পারেন।

এ সমস্যার সমাধানে সকালে হাঁটাটা সবচেয়ে ভালো সমাধান। যে কোনো বয়সের মানুষ সকালে হাঁটতে পারেন। এই ভালো অভ্যাসটি দূরে রাখতে পারে অনেক রোগ বালাই।

অনেকেরই দীর্ঘক্ষণ ঘাড় নিচু করে কাজ করার অভ্যাস থাকে। সেটা ত্যাগ করাই ভালো। কুঁজো হয়ে পায়ের উপরে পা দিয়ে দীর্ঘক্ষণ চেয়ারে বসে থাকা অস্বাস্থ্যকর।

বসার সময় কিংবা হাঁটার সময় মেরুদণ্ড সোজা রাখলেও সমস্যা থেকে রেহাই মিলতে পারে। ব্যাক পেইনের সমস্যায় ভুগলে সামনের দিকে নিচু হয়ে মাটি থেকে জিনিস তোলা এড়ানোই ভালো।

এ সবের পাশাপাশি সকাল অথবা বিকেলে সামান্য কিছু ব্যায়াম করলেই নিজেকে ফিট রাখা যায়। যেমন, দুপাশে হাত দুটোকে টানটান করে মেলে ধরে আস্তে আস্তে ঘোরানো, ধীরে ধীরে ঘাড় ডান দিক-বাঁ দিক, উপরে-নীচে ঘোরানো।

অবশ্য হার্টের কোনো সমস্যা থাকলে ফিজিওথেরাপিস্টের পরামর্শ মতো রুটিন মাফিক ব্যায়াম করলে সুস্থ থাকতে পারেন বলে নিশ্চিত করেন চিকিৎসকরা।

এসএস

img

সম্পর্কিত পোস্ট