img

রোজার উদ্দেশ্য মুত্তাকি হওয়া

2016-06-15 06:58:56
2016061505585616977.jpg

মানুষের জন্য সিয়াম বা রোজা হলো আল্লাহর পক্ষ থেকে এক ধরনের বিশেষ পদ্ধতি বা অনুশীলন, যার মাধ্যমে মানুষ আল্লাহ প্রদত্ত যে অফুরন্ত নিয়ামত ভোগ করে থাকেন তার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পারেন। আবার আল্লাহর সাথে মানুষের নৈকট্যলাভ এবং বান্দার আত্মশুদ্ধির অন্যতম মাধ্যম হিসেবেও মানবজীবনে সিয়াম বিশেষ গুরুত্বের দাবি রাখে। এই সিয়ামই মহান আল্লাহ তায়ালা তথা সৃষ্টিকর্তার প্রতি অকাট্য বিশ্বাস স্থাপনের অদ্বিতীয় উপাদান হিসেবে বান্দার আধ্যাত্মিক মুক্তি ও আত্মার পরিশুদ্ধি অর্জনের ইচ্ছাকে প্রসারিত করে দেয়। সেই সাথে আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালার প্রতি অগাধ আস্থা ও বিশ্বাসের চরম দৃষ্টান্ত ও নজিরবিহীন আনুগত্যের পরিপন্থা হিসেবে কাজ করে। সে জন্য সিয়াম পালনকারী বা রোজাদার ব্যক্তির প্রতিদান হচ্ছে আল্লাহ স্বয়ং নিজেই। কেননা আল্লাহর ইচ্ছাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সিয়াম পালনকারী ব্যক্তি তার নিজের শারীরিক ও মানসিক সব ধরনের বৈধ কামনা-বাসনা ও ভোগ-বিলাসকে উপেক্ষা করে একমাত্র আল্লাহর উদ্দেশে সিয়াম পালন করেন, যা আল্লাহর নির্দেশিত আনুগত্যের অন্যতম দৃষ্টান্ত।
সিয়াম বা রোজার ইতিহাস অনেক পুরাতন। আত্মার পরিশুদ্ধি এবং পাপের প্রায়শ্চিত্ত করার লক্ষ্যে আল্লাহর নবী হজরত মুহাম্মাদ সা:-এর জীবনেই যে প্রথম সিয়ামকে ফরজ করা হয়েছিল এমন নয়। মুসলিমসহ অন্য ধর্মবিশ্বাসীরাও প্রাগৈতিহাসিক সময় থেকে সিয়াম বা উপবাস ব্রত পালন করেছে এবং এখনো করে থাকেন। হজরত আদম আ:, হজরত ইব্রাহিম আ:-সহ সব নবী-রাসূলই সিয়াম পালন করতেন। সেই ইতিহাসকে স্মরণ করে দিয়ে আল্লাহ ঘোষণা করেনÑ ‘হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর সিয়াম ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর। যাতে তোমরা মুত্তাকি হতে পারবে’ (সূরা বাকারা : ১৮৩)। তা হলে সিয়ামের উদ্দেশ্য হচ্ছে মুত্তাকি হওয়া অর্থাৎ সব ধরনের পাপাচার ও অন্যায় কাজকর্ম থেকে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করার অনুশীলন করা। এই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখেই যাবতীয় ধর্মের মানুষেরা সিয়াম বা ব্রত বা উপবাস পালন করে এসেছে। তবে এসব সিয়াম বা উপবাসের সময় এবং ধরন ভিন্ন ভিন্ন ধর্মের মানুষ ভিন্ন বৈশিষ্ট্যে পালন করেছে এবং করে থাকে। এ কারণেই সব প্রাচীন ধর্মেই সৌর মাস হিসেবে রোজা রাখার বিধান থাকলেও ইসলামি রোজা চান্দ্র মাস অনুসারে করা হয়েছে। এতে যা সুবিধা হয়েছে তা হলো, সময়সাপেক্ষে বছরের প্রত্যেক দিনই রোজা পালন হয়ে থাকে, যা আল্লাহর বিশেষ কুদরতের সাক্ষ্য বহন করে।
আরবি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী রমজান মাসের পুরো সময় রোজা পালন করার আগে আল্লাহর রাসূল হজরত মুহাম্মাদ সা: মহররম মাসের পবিত্র আশুরার দিনে মুসলমানদের সিয়াম পালনের নির্দেশ দিয়েছিলেন। কেননা হজরত মুহাম্মাদ সা: দেখেছিলেন যে, ফেরাউনের সলিল সমাধির কারণে আল্লাহর নবী হজরত মুসা আ: ও তাঁর সঙ্গী-সাথীরা ফেরাউনের অত্যাচার থেকে পরিত্রাণ পেয়েছিলেন এবং সেই শোকরিয়াস্বরূপ মুসা আ: রোজা রেখেছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় ইহুদিরাও আশুরার পবিত্র দিনে রোজা রাখেন। যেহেতু মুসা আ: আল্লাহর নবী, সেই নবীর প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনার্থে ও সম্মান জানানোর উদ্দেশ্যেই মুহাম্মাদ সা: মুসলিমদের রোজা রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
রোজা বা সিয়ামের গুরুত্ব শুধু মুসলিম কিংবা ইসলাম ধর্মেই সীমাবদ্ধ, তা নয়। পৃথিবীর পুরাতন বড় বড় ধর্মের অনুসারীরাও কলুষমুক্ত হয়ে আত্মার পরিশুদ্ধতা অর্জনের উদ্দেশ্যে উপবাস ব্রত বা সিয়াম পালন করত। ইনসাইকোপেডিয়া ব্রিটানিকার তথ্যমতে, প্রাচীন মিসরীয়দের ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদিতেও রোজার প্রচলন পাওয়া যায়। গ্রিকদের ভেতর শুধু নারীদের জন্যই সিয়াম পালনের বিধান ছিল। গ্রিক বর্ষপঞ্জির ‘থিসমোফেরিয়া’ মাসের তৃতীয় দিন গ্রিক নারীরা সিয়াম পালন করতেন। পারসিক ধর্মেও রোজার বিধান দেখা যায়। তবে পারসিকদের সর্বসাধারণদের রোজা পালন করতে হতো না। পারসিক ধর্মগ্রন্থের কোনো কোনো শ্লোক থেকে জানা যায়, শুধু পারসিক ধর্মীয় প্রধানদের জন্য পাঁচসালা উপবাস ব্রত অবশ্যই পালনীয় ছিল।
হিন্দুধর্মের বিশিষ্ট পণ্ডিত মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের প্রধান টিএমপি মাহাদেবান রোজা, উপবাস ব্রত বা সিয়ামের তাৎপর্য সম্পর্কে লিখেছেনÑ ‘প্রত্যেক বছর অনুষ্ঠিত হিন্দুধর্মীয় অনুষ্ঠান ও পর্বের মধ্যে কয়েকটি পর্ব রোজার (উপবাস ব্রত) জন্য নির্দিষ্ট করে রাখা হয়েছে। এসব উপবাস ব্রতের উদ্দেশ্য হচ্ছে আত্মশুদ্ধি লাভ করা। প্রতিটি হিন্দু উপদলের উপাসনা ও উপবাস ব্রতের জন্য আলাদা দিন সময় নির্ধারিত রয়েছে। তখন তারা সারা দিন উপবাস ব্রত পালন করেন। ধর্মগ্রন্থ পাঠ কিংবা ধ্যানমগ্ন অবস্থায় বিনিদ্র রাতযাপন করেন। তবে সব হিন্দুধর্মাবলম্বীর কাছে গ্রহণযোগ্য ও সর্বজনীন পর্ব হচ্ছে বৈষ্ণবের নামে অনুষ্ঠিত একাদশীর উপবাস ব্রত। অবশ্য বিষ্ণুভক্তরা বাদে অন্য হিন্দুরাও নিষ্ঠার সাথে এ ব্রত পালন করে থাকেন। এ পর্বটিতে হিন্দুরা দিনে উপবাস ব্রত ও রাতে পূজা-অর্চনায় নিমগ্ন থাকেন। আবার কয়েকটি পর্ব শুধু হিন্দু নারীদের জন্যই পালনীয়। এ পর্বগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব ও বৈশিষ্ট্যের কারণে ‘ব্রত’ নামে আখ্যায়িত করা হয়। এসব পর্বে হিন্দু নারীরা ঈশ্বরের নারী চরিত্রের বিভিন্ন দিকের প্রতিনিধিত্বকারী দেবদেবীর পূজা-অর্চনা করে থাকেন। এসব ব্রতের উদ্দেশ্য হচ্ছে আধ্যাত্মিক ও ঐশ্বরিক শক্তিতে নিজেকে বলীয়ান করা (আউট লাইন অব হিন্দুজম, চেপ্টার-৪, সেকশন-৬)।
ইহুদি ধর্মেও রোজার অনেক গুরুত্ব রয়েছে। এ ধর্মাবলম্বীদের কাছে রোজা ছিল বিপদ ও শোকের প্রতীক। যখন কোনো বিপদ, সঙ্কট ও দুর্যোগের আশঙ্কা দেখা দিত, তখনই ধর্মীয়ভাবে উপবাস ব্রত পালন করা হতো। ইহুদি ধর্মে বিশ্বাসী আধ্যাত্মিক পুরুষেরা ঐশীবাণী লাভের প্রত্যাশায় রোজা পালন করতেন। এ ছাড়া যখন ধারণা করা হতো যে, প্রভু ইসরাইলিদের ওপর রুষ্ট হয়েছেন কিংবা দেশে যখন রোগ মহামারী দেখা দিত কিংবা জাতীয় পর্যায়ে কোনো দুর্যোগ-দুর্ভিক্ষ নেমে আসত কিংবা বাদশা যখন কোনো গুরুত্বপূর্ণ মিশনে রওনা হতেন তখনো রোজা রাখার নির্দেশ ইহুদি ধর্মশাস্ত্রে রয়েছে। দিবসের গুরুত্বভেদে ইহুদিধর্মীয় ক্যালেন্ডারে রোজার কতগুলো দিন নির্ধারিত রয়েছে। যেমনÑ ব্যাবেলের বন্দীকালীন সময়ের স্মরণে চতুর্থ মাস (মে), পঞ্চম মাস (জুন), ষষ্ঠ মাস (তিশরী) ও দশম মাসের (তিব্বত) রোজা। তিলমুদের কোনো কোনো ধর্মীয় পণ্ডিতের মতে, এ দীর্ঘ রোজা শুধু তখনই পালন করা হয়, যখন ইহুদি জাতি কোনো বহিঃশক্তির আক্রমণে পদানত হয়।
সাধারণত ইহুদিদের রোজা শুরু হয় সকালে সূর্য বেশ কিছুটা ওপরে ওঠার পর থেকে এবং শেষ হয় রাতের প্রথম তারা উদয়ের পর। আবার কোনো কোনো রোজার সময়সীমা হচ্ছে এক সন্ধ্যা থেকে আরেক সন্ধ্যা পর্যন্ত। রোজা বা সিয়ামের জন্য কোনো নির্দিষ্ট বিধিবিধান ইহুদি ধর্মে খুঁজে পাওয়া না গেলেও রোজা অবস্থায় দান-খয়রাত ও গরিব-মিসকিনদের মধ্যে খাদ্য বিতরণের নির্দেশ রয়েছে এবং তাতে পুণ্যের কথাও বলা হয়েছে (জুইস ইনাসইকোপিডিয়া)।
খ্রিষ্টধর্মের সব প্রামাণ্য গ্রন্থ খুঁজে রোজার বিস্তারিত বিধিবিধান পাওয়া সম্ভব না হলেও নবুয়তপ্রাপ্তির আগে হজরত ঈসা আ: চল্লিশ দিনব্যাপী রোজা পালন করেছিলেন। ঈসা আ:-এর এ রোজা ছিল ইহুদি ধর্মের প্রায়শ্চিত্ত রোজা এবং ইহুদি ধর্মমতে এটা ফরজ। উল্লেখ রয়েছে হজরত ঈসা আ: একজন নিষ্ঠাবান ইহুদির মতোই এ রোজা পালন করতেন এবং কয়েকটি মৌলিক উপদেশ ও নীতিকথা ছাড়া তিনি নিজে রোজার জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো বিধিবিধান রেখে যাননি বরং গির্জা ও চার্চের ওপর সে দায়িত্ব অর্পণ করে গেছেন। পরে পলের সুসমাচারে সিয়াম তথা রোজার উল্লেখ দেখা যায়। পলের মৃত্যুর প্রায় দেড় শ’ বছর পর খ্রিষ্টধর্মে রোজার বিধিবিধান সুবিন্যস্তকরণের প্রয়োজনীয়তা তীব্রভাবে অনুভূত হয়। তখন খ্রিষ্টান পাদ্রী ও চার্চপ্রধানরা উচ্ছৃঙ্খল যৌন উচ্ছ্বাসের মোকাবেলায় রোজা রাখার পরামর্শ দিতেন। পাদ্রী ‘এরিনিয়াস’ বলেন, সিয়াম কখনো এক দিন, কখনো দু’দিন আবার কখনোবা ৪০ ঘণ্টাব্যাপী হতো।
খ্রিষ্টধর্মে সিয়ামের বিধিবিধান প্রণয়ন ও সুবিন্যস্তকরণের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন হয় খ্রিষ্টীয় দ্বিতীয় ও পঞ্চম শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে। আরো পরে অর্থাৎ সংস্কার যুগ শেষ হওয়ার পর ইংল্যান্ডের চার্চ রোজার দিন নির্ধারণ করে দেয়, তবে ব্যক্তির বিবেক ও ধর্মীয় দায়িত্ববোধের ওপর রয়ে যায় রোজার নিয়ম-কানুন, সময় ও সীমা-পরিসীমা। তবে ষষ্ঠ এডওয়ার্ড, প্রথম জেমস্ ও এলিজাবেথের সময় ইংল্যান্ডের পার্লামেন্ট এই মর্মে একটি আইন পাস করে যে, রোজার দিনগুলোতে গোশত খাওয়া যাবে না (ইনসাইকোপিডিয়া অব রিলিজিয়নস অ্যান্ড ইথিকস)। এভাবেই খ্রিষ্টধর্মে সিয়ামের বিধিনিষেধ সময়ে সময়ে পরিবর্তিত হয়েছে। আর সে কারণেই খ্রিষ্ট ধর্মগ্রন্থের কোথাও রোজাকে ফরজ হিসেবে পাওয়া না গেলেও পবিত্র কুরআনের ভাষ্যমতে, পূর্ববর্তী সব জাতির ওপরই রোজা ফরজ হিসেবেই নির্ধারিত ছিল।
রমজানের রোজা থেকে পূর্ববর্তী রোজাগুলোর ধরন-ধারণ সময়সীমা ও খাদ্য গ্রহণ-বর্জনের বিষয় ছিল ভিন্ন রকমের। কোনো কোনো রোজাতে সব ধরনের খাদ্য নিষিদ্ধ ছিল, আবার কোনো রোজাতে সব খাদ্যসামগ্রী নয়, কিছু কিছু খাবার বর্জনীয় ছিল। অর্থাৎ গোষ্ঠীভেদে রাজা অবস্থায় খাদ্য গ্রহণ-বর্জনের এবং সময়সীমার বিষয়টি ছিল স্বতন্ত্র। কিন্তু রমজানের রোজা সেসব জটিলতা থেকে মুক্ত হয়েছে এবং পৃথিবীর যাবতীয় গোষ্ঠীর মুসলিমেরা একই পন্থায় একই সাথে রমজানের রোজা উদযাপন করে থাকেন।
আল্লাহর নবী হজরত মুহাম্মাদ সা: মাতৃভূমি মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করলেন। মদিনায় আগমনের পর মুসলমানদের মানসিক ও আর্থিক উন্নতি সাধিত হলো। শরীর, মনে ও ঈমানী শক্তিতে মুসলমানেরা যখন সতেজ হয়ে পুনরুজ্জীবিত হলেন এবং নতুন একটি শক্তিশালী আসমানি বিধানকে সম্পূর্ণভাবে গ্রহণ করার সক্ষমতা অর্জন করলেন, ঠিক তখনই হিজরির দ্বিতীয় সনে রমজানের রোজাকে মুসলমানদের জন্য বাধ্যতামূলক করা হলো। নতুন এ বিধানের সম্মুখীন হয়ে মুসলমানেরা যাতে বিচলিত না হন সে জন্য আল্লাহ আশ্বস্ত করে বললেন যে, ‘এ রোজা শুধু তোমাদের জন্যই নতুন নয়, তোমাদের পূর্ববর্তীরাও তা পালন করেছে।’ অতএব এতে বিচলিত হওয়ার বা ভয় পাওয়ারও কিছু নেই।
যুগে যুগে মানুষ নিজেকে পাপমুক্ত করতে এবং আত্মার পরিশুদ্ধতা অর্জনের উদ্দেশ্যে উপবাস ব্রত বা সিয়াম পালন করেছেন। উদ্দেশ্য একটাইÑ মানুষে মানুষে সম্প্রীতি আর শান্তিময় জীবনযাপন করা। আল্লাহ নিজেও চান পৃথিবীতে সব মানুষ শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান করুক। সে লক্ষ্যেই নবী-রাসূলগণ সিয়াম অনুশীলনের মাধ্যমে নিজে অন্তরের কালিমামুক্ত হয়ে পৃথিবীতে শান্তিময় জীবনযাপনের জন্য সামাজিক ভারসাম্য রক্ষার কাজে সচেষ্ট থেকেছেন এবং মানুষকে সিয়াম অনুশীলনের তাগিদও দিয়েছেন। কেননা সিয়াম হচ্ছে বিশুদ্ধ মানুষ তৈরির মোক্ষম হাতিয়ার। আর শান্তিময় সমাজের একেকটি নির্ভেজাল উপাদান হচ্ছে রোজাদার মানুষ। এই ঐতিহাসিক সত্যে উদ্ভাসিত হয়ে মানুষ যতই রোজার অনুশীলন করবেন, সমাজের তথা মানুষের নিজেরই তত কল্যাণ হবে এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভ অতীব সহজ হবে।

img

সম্পর্কিত পোস্ট